শীত আসলে আমাদের সবাই একটা জিনিস ক্লিয়ার হয়ে যাই, তা হলো চুল আগের স্বাভাবিক থেকে অনেক বেশি পড়ছে। তাই এই সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস যা কার্যকর সাথে বানানো সহজ। শীতে চুল আঁচড়ালে হাত ভর্তি চুল উঠে চলে আসে, বা বালিশে ঘুমানোর পরে চুল পড়ে থাকে।
বাংলাদেশের আবহাওয়ায় শীতে চুল পড়া একটি খুব কমন সমস্যা। কিন্তু সমস্যা কমন হলেও সমাধান নিয়ে বিভ্রান্তি কিন্তু অনেক। আবার অনেকে অনেক রকমের হেয়ার ফল সল্যুশন দেন, কেউ বলে তেল ব্যবহার করে, কেউ বলে শ্যাম্পু বদলান, আবার অনেকের সমাধান থাকে কিছুই করার নাই। আমাদের আজকের এই ব্লগের জানাবো, চুল পড়া বন্ধ করা কোনো অলৌকিক বিষয় নয়।
আমরা বরং বাস্তবসম্মত, দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষিত ঘরোয়া টিপস নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবো। যদি সত্যিকারের চুল পড়া রোধের উপায় খুঁজে থাকেন, তাহলে এই লেখা শেষ পর্যন্ত পড়া উচিত।
শীতকালে চুল পড়ার কারণ (চুল কেন পড়ে শীতে)
শীতে ঘরে বসে চুলের যত্ন বন্ধের উপায়ের জন্য আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে শীতে চুল পড়ার কারণ কী। কেননা, কারণ না জানলে কোনো চুল পড়া রোধের উপায়ই স্থায়ী ফল দেবে না।

১. স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা কমে যাওয়া
শীতকালে সাধারণত বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, এ কারণে মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় যা চুলের গোঁড়া দুর্বল করে দেয়। মূলত এই ড্রাইনেস থেকেই শীতে চুল পড়া শুরু হয়।
২. গরম পানি দিয়ে চুল ধোয়া
আমরা অনেকেই শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল করি, অনেকে আবার একটু বেশি গরম পানি ব্যবহার করে। এতে আমাদের স্ক্যাল্পের ন্যাচারাল অয়েল উঠে যায়, যা চুলকে প্রাকৃতিকভাবে রক্ষা করে। তাই চুল পড়া রোধের উপায় হিসেবে চুলে ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।
৩. ব্লাড সার্কুলেশন কমে যাওয়া
ঠান্ডা আবহাওয়ায় মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়, যার ফলে শীতে চুল পড়া খুব স্বাভাবিক দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাই অনেকেই শীতে চুল পড়া কমানোর টিপস খুঁজে থাকেন।
৪. পানি কম পান করা
শীতে ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে পানি তৃষ্ণা কম লাগে, কিন্তু শরীর ডিহাইড্রেটেড থাকে। এর প্রভাব সরাসরি চুলে পড়ে এবং চুল পড়তে থাকে।
এ সকল কারণগুলো একসাথে কাজ করেই শীতে চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়।
চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস যা সত্যি কাজ করে
এখন কথা বলা যাক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে। নিচে কিছু চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস দিয়ে দিচ্ছি, যা আপনি নিয়মিত মানলে ঘরে বসে চুলের যত্ন নিতে পারবেন।
নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে হেয়ার ফল সল্যুশন
নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল অনেক পুরোনো পদ্ধতি, কিন্তু সবচেয়ে কার্যকর হেয়ার ফল সল্যুশন।
কেন কাজ করে?
নারকেল তেল আমাদের স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা ধরে রাখে, আর সাথে ক্যাস্টর অয়েল চুলের গোঁড়া বেশি মজবুত করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। যা এই শীতে চুল পড়া রোধের উপায় হিসেবে বেশ জনপ্রিয়।
নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার পদ্ধতি
- ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল।
- ১ টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল।
- হালকা গরম করে স্ক্যাল্পে ১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন।
- সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করুন।
এটা নিয়মিত করলে চুল পড়া রোধের উপায় হিসেবে খুব ভালো কাজ করে।
পেঁয়াজের রস কি চুল পড়া বন্ধ করে?
হ্যাঁ, পেঁয়াজের রস চুল পড়া বন্ধ করার জন্য খুবই কার্যকর একটি হেয়ার ফল সল্যুশন। তবে সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে। পেঁয়াজে থাকা সালফার চুলের গোড়ায় কোলাজেন প্রোডাকশন বাড়ায়, যা শীতে চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
পেঁয়াজের রস ব্যবহার পদ্ধতি
- প্রতি সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন মাথায় দিন।
- ২০ মিনিট রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।
- শ্যাম্পু ব্যবহার করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।
যদি সংবেদনশীল স্ক্যাল্প হয়ে থাকে তবে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নিন।
অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ঘরে বসে চুলের যত্ন
অ্যালোভেরা জেল শীতে চুল পড়া কমানোর টিপস হিসেবে বেশ পরিচিত এবং কার্যকরী। যারা খুব সিম্পলভাবে ঘরে বসে চুলের যত্ন নিতে চান, তাদের জন্য অ্যালোভেরা জেল দারুণ অপশন।
অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার এর সুবিধা –
- স্ক্যাল্পের চুলকানি কমায়
- স্ক্যাল্প ড্রাইনেস কমায়
- চুলের ভাঙা অনেকাংশে কমায়
সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করলে চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস হিসেবে কার্যকর ফল দেয়।
শীতে চুল পড়া কমানোর টিপস (Effective Hair Care Guide)
শীতে চুল পড়া কমানোর টিপস এর সাথে effective hair care guide যা কার্যকরী করার জন্য শীতে চুলের যত্নের নিয়ম আলাদা হওয়া দরকার।

শীতকালে কতবার চুল ধোয়া উচিত?
শীতকালে প্রতি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার চুল ধোয়াই যথেষ্ট। বেশি চুল ধুলে স্ক্যাল্প অনেক বেশি শুষ্ক হয়ে পড়ে, যার ফলে শীতে চুল পড়া বাড়ে।
গরম পানি চুলের জন্য কতটা ক্ষতিকর?
গরম পানি খুবই ক্ষতিকর। গরম পানি আমাদের চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট করে দেয়, যা চুল পড়া রোধের উপায় কে দুর্বল করে।
এ সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করতে পারেন হালকা কুসুম গরম পানি বা নরমাল পানি।
শীতে ক্যাপ বা হিজাব ব্যবহারে চুল পড়া কমানোর কৌশল
শীতে ক্যাপ বা হিজাব দীর্ঘ সময় পরে থাকলে বদ্ধতার কারণে স্ক্যাল্পে ঘাম জমে, যা চুল দুর্বল করে।
শীতে চুল পড়া কমানোর টিপস –
- হিজাবের ভেতরে কটন ক্যাপ ব্যবহার করুন।
- রাতে ঘুমানোর সময় চুল শুকনো রাখুন।
- নিয়মিত স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখা।
ঘরে বসে চুলের যত্ন করার সঠিক রুটিন
সঠিক রুটিন ছাড়া কোনো হেয়ার ফল সল্যুশনই ঠিকভাবে কাজ করে না। তাই এই শীতে ঘরে বসে চুলের যত্ন-এর জন্য সঠিক রুটিন বাছাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সাপ্তাহিক হেয়ার কেয়ার রুটিন (Beginner Friendly)
- সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন তেল মালিশ করুন।
- সপ্তাহে একদিন হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন।
- ২ থেকে ৩ দিন এর বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না।
এর সাধারণ হেয়ার কেয়ার রুটিন চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস হিসেবে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করে।
চুল পড়া রোধে ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক
চুল পড়া কমাতে আপনি ঘরোয়া কিছু জিনিস দিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করে নিতে পারেন।
হেয়ার মাস্ক রেসিপি
- ২ চামচ টক দই নিন।
- সাথে একটি নরমাল তাপমাত্রার ডিম মিশিয়ে নিন।
- ১ চামচ ফ্রেশ অ্যালোভেরা নিন।
প্রতি সপ্তাহে ১ বার করে ব্যবহার করুন, এতে আপনার ঘরে বসে চুলের যত্ন আরও কার্যকর হবে।
খাবার ও লাইফস্টাইল পরিবর্তনে চুল পড়া রোধের উপায়
আমরা কোন খাবার গ্রহণ করছি বা আমাদের লাইফস্টাইল কেমন তার ওপরেও অনেক কিছু নির্ভর করে। মনে রাখা দরকার চুলের স্বাস্থ্য শুধু বাইরে থেকে নয় ভেতর থেকেও আসে। তাই বাহ্যিক যত্নের সাথে সাথে শীতে চুল পড়া রোধে ভিতরের যত্নও নেয়ার প্রয়োজন।
কোন খাবার চুল পড়া কমায়?
কথা হলো কোন খাবার আসলে আমাদের হেয়ার ফল সল্যুশন হিসেবে ভালো কাজ করে? নিচে কিছু খাবার তালিকা দিয়ে দিচ্ছি যা আমাদের চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে –
- ডিম।
- বাদাম।
- সবুজ শাক-সবজি।
- পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি।
পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস কন্ট্রোল কেন জরুরি?
আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য আমাদের চুল পড়ার উপরে বেশ ভালো প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ আমাদের স্ট্রেস কর্টিসল হরমোন বাড়ায়, যা শীতে চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম চুলের গ্রোথ সাইকেল ঠিক এবং স্বাভাবিক রাখে।
কখন চুল পড়া রোধে ঘরোয়া টিপস কাজ করে না?
অনেক সময় দেখা যায়, সব নিয়ম মেনে তেল দিই, মাস্ক ব্যবহার করি, চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস ফলো করি। তবুও চুল পড়া কমে না বা আশানুরূপ ফল পাই না। তাই তখন হতাশ হওয়া স্বাভাবিক। তবে সত্য কথা হলো সব ধরনের চুল পড়ার সমস্যার সমাধান ঘরোয়া টিপসে সম্ভব নয়। নিচে কিছু কারণ দিয়ে দিচ্ছি যা থাকলে আপনার ঘরোয়া টিপস কাজ নাও করতে পারে।
১. হরমোনাল সমস্যা থাকলে
যদি আপনার চুল পড়ার পিছনে হরমোনাল ইমব্যালান্স থাকে, তাহলে শুধু ঘরোয়া টিপস যথেষ্ট হয় না।
বিশেষ করে –
- থাইরয়েড সমস্যা
- Polycystic Ovarian Disease (PCOD) এবং Polycystic Ovary Syndrome (PCOS)
- প্রেগন্যান্সির পর চুল পড়া
- হঠাৎ ওজন কমানো বা বাড়ানো
সাধারণত শীতে চুল পড়া আরও বেড়ে যায়। কারণ হরমোন চুলের গ্রোথ সাইকেল কন্ট্রোল করে। এখানে তেল বা মাস্ক চুলকে একটু ভালো রাখতে পারে, কিন্তু মূল সমস্যা ঠিক না হলে চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ হয় না। তাই এই ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।
২. জেনেটিক বা বংশগত
অনেকের চুল পড়ার সমস্যাটা পারিবারিক হয়ে থাকে। অনেকের পরিবারেই চুল পাতলা হওয়ার বা টাক পড়ার ইতিহাস থাকে। এটাকে বলা হয় Androgenetic Alopecia।
এই ধরনের চুল পড়ায়—
- চুল ধীরে ধীরে পাতলা হয়।
- সামনের হেয়ারলাইন বা ক্রাউন এরিয়া ফাঁকা হতে থাকে।
- তেল বা ঘরোয়া মাস্কে তেমন কাজ হয় না।
এই পরিস্থিতিতে হেয়ার ফল সল্যুশন হিসেবে ঘরোয়া টিপস চুলের কোয়ালিটি ভালো রাখতে পারে, কিন্তু নতুন চুল গজানোর ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ।
৩. স্ক্যাল্প ইনফেকশন বা ফাঙ্গাল
যদি আপনার স্ক্যাল্প ইনফেকশন বা ফাঙ্গাল হয়ে থাকে যেমন –
- প্রচণ্ড খুশকি।
- চুলকানি।
- লালচে ভাব।
- দুর্গন্ধ।
- পুঁজ বা র্যাশ।
থাকে, তাহলে বুঝতে হবে এটা শুধু ড্রাইনেস না। এই অবস্থায় ঘরে বসে চুলের যত্ন হিসেবে তেল দেওয়া অনেক সময় উল্টো সমস্যা বাড়ায়। এখানে মেডিকেটেড ট্রিটমেন্ট ছাড়া চুল পড়া রোধের উপায় কার্যকর হয় না।
৪. নিউট্রিশনাল ডেফিসিয়েন্স থাকলে
অনেক সময় চুল পড়ার পিছনে মূল কারণ থাকে শরীরের ভেতরে। যেমন –
- আয়রনের অভাব।
- ভিটামিন ডি (D) কম।
- শরীরে প্রোটিন কম থাকলে।
- জিংক বা B12 কম থাকলে।
এই অবস্থায় বাহ্যিক চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস কাজ করবে না। কারণ চুল তৈরি হয় শরীরের ভেতর থেকে। ভেতরে ঘাটতি থাকলে বাইরে যত কিছুই করেন, ফল পাওয়া কঠিন।
৫. দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত স্ট্রেস ও ঘুমের সমস্যা থাকলে
দীর্ঘ সময় মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা বা ঘুমের অভাব থাকলে শরীরে কর্টিসল হরমোন বেড়ে যায়। এটি সরাসরি চুল পড়ার সঙ্গে জড়িত।
এ ক্ষেত্রে –
- চুলে তেল মালিশ বা মাস্ক সাময়িক আরাম দেয়।
- তবে মূল চুল পড়া কমে না।
মানসিক চাপ কন্ট্রোল ছাড়া শীতে চুল পড়া কমানোর টিপস পুরোপুরি কাজ করে না।
৬. ভুলভাবে ঘরোয়া টিপস ব্যবহার করলে
আপনার চুল ঠিক আছে তবে ঘরোয়া টিপস ব্যবহারে কাজ না করার পিছনে আরেকটা বড় কারণ হলো ভুল প্রয়োগ। যেমন –
- খুব বেশি পেঁয়াজের রস ব্যবহার করা।
- অনেকক্ষণ ধরে মাথায় মাস্ক রেখে দিলে।
- নোংরা স্ক্যাল্পে তেল লাগানো।
এসব কারণে উল্টো চুল পড়া বাড়তে পারে। তাই সঠিক নিয়ম না জানলে চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস কাজ করে না। তাহলে কি করবেন?
চুল পড়া নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
প্রতিদিন কতটা চুল পড়া স্বাভাবিক?
আমাদের প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০টা চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে এর বেশি বা ঘন ঘন চুল পড়লে সেটা চিন্তার বিষয়।
শীতে চুল পড়া কি স্থায়ী?
না। সঠিক শীতে চুল পড়া কমানোর টিপস মানলে এটি অস্থায়ী। শীতে চুল পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তবে সঠিক হেয়ার ফল সল্যুশন মানলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
ঘরোয়া টিপসে কতদিনে ফল পাওয়া যায়?
ঘরোয়াভাবে চুলের যত্ন নিলে তা নিয়মিত মানারও প্রয়োজন পড়ে। সঠিকভাবে চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস মানলে ৪ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে ফল দেখা যায়।
উপসংহার
শেষ কথা একটাই, চুল পড়া কোনো যাদু বা একদিনে বন্ধ হয় না। তবে সঠিক চুল পড়া বন্ধের ঘরোয়া টিপস, নিয়মিত রুটিন এবং সচেতন জীবনযাপন মেনে চললে শীতে চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
আপনি যদি সত্যিকারের হেয়ার ফল সল্যুশন চান, তাহলে আজ থেকেই শুরু করুন। কারণ চুল পড়া রোধের উপায় কোনো ম্যাজিক না, এটা ধৈর্য আর নিয়মের মিশ্রণ।



